1. admin@dainikamarekush.com : amar123 :
  2. newsamarekush@gmail.com : md arif : md arif
  3. newsamarekush1@gmail.com : dainik staf1 : dainik staf1
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে রাজঘাটে কংগ্রেস, ধ্রুব রাঠি যোগ দিলেন সিজেপির সমাবেশে

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৪ Time View

কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশকে স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছে না বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। প্রথম দিন নির্বাচন কমিশন অভিযান ও আকাশবাণী ভবনে রাহুল–প্রিয়াঙ্কাদের অবস্থান, দ্বিতীয় দিন মধ্যাহ্নভোজ শেষে আচমকাই যন্তর মন্তরের পথে বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার বরণ, আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনেও কনট প্লেসে মধ্যাহ্নভোজ শেষে সদলে বাসে চেপে রাজঘাটে অবস্থান। তিন দিনেই ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্ব দিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সঙ্গে তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কাসহ দলের সব শীর্ষ নেতা এবং জোট শরিকদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

শুধু বিরোধী জোট নয়, সরকারের চিন্তা বাড়িয়ে জ্ঞানেশ হটাও আন্দোলন তীব্রতর করে তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি)। ১০ অক্টোবর তাদের ‘যন্তর মন্তর ২.০’ আন্দোলন শুরুর আগে বৃহস্পতিবার কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে তারা এক জনসমাবেশের আয়োজন করেছে। সেখানে সিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগ দেন অতি পরিচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ। সিজেপির সঙ্গে যৌথভাবে এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বামপন্থী ছাত্রসংগঠনের নেতা–নেত্রীরা।

অন্যান্য দিনের সঙ্গে আজকের আন্দোলনের পার্থক্য ছিল একটাই, বিরোধী নেতাদের পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের বাধা না দেওয়া।

গতকাল বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে কনট প্লেসের ‘সাগর রত্ন’ রেস্তোরাঁয় ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। দক্ষিণি খাবারের জন্য জনপ্রিয় ওই রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়া সেরে নেতারা আচমকাই বাসে চেপে যন্তর মন্তরের দিকে এগোতে থাকেন। গেরিলা কায়দার ওই অভিযানের কোনো আঁচ দিল্লি পুলিশ পায়নি।

আজও সেই কায়দা ছিল জোট নেতাদের আচরণে। এদিনও বিরোধী নেতাদের মধ্যাহ্নভোজের দাওয়াত দেন খাড়গে। সাগর রত্ন রেস্তোরাঁর ঠিক পাশের ‘মোয়েটস’–এ। বৃহস্পতিবারের মধ্যাহ্নভোজ অবশ্য আগের দিনের মতো নিরামিষ ছিল না। যদিও আগের দুদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার বিরোধীদের পাশাপাশি পুলিশের আচরণ ছিল সংযত।

রাজঘাটের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে ‘মোয়েটস’ রেস্তোরাঁর সামনে জড়ো হন কংগ্রেস নেতা–কর্মীরা। ৮ অক্টোবর ২০২৬, নয়াদিল্লি

এদিনও পুলিশকে বুঝতে দেওয়া হয়নি, ভোজ শেষে বিরোধী নেতারা ঠিক কী করবেন। ফলে কনট প্লেস, যন্তর মন্তর, জনপথ, অশোকা রোড, ফিরোজ শাহ রোডসহ গোটা এলাকায় পুলিশ বাহিনী তৎপরতা তুঙ্গে ওঠে। কাজের দিন হওয়ায় লুটেন্স দিল্লির এই তল্লাট প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়। কয়েক হাজার পুলিশ ও র‍্যাফ চারদিকে মোতায়েন করা হয়।

কংগ্রেসের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা–কর্মীরা পতাকা হাতে সেখানে অংশ নেন। স্লোগানে স্লোগানে গমগম করে ওঠে জনপথ। গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে পুলিশ জানতে চায়, ভোজের পর বিরোধীরা ঠিক কী করতে চলেছেন। কিন্তু কারও কাছে কোনো উত্তর ছিল না।

বেলা তিনটা নাগাদ মোয়েটস থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমকে রাহুল বলেন, ‘লোকসভা ও রাজ্যসভার প্রায় ৩০০ সদস্য শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখাতে চাইছিলেন। অথচ দুদিন ধরে আমাদের বিক্ষোভ দেখাতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম দিন নির্বাচন কমিশনে যেতে দেওয়া হয়নি। বুধবার যন্তর মন্তরে যেতে বাধা দেওয়া হলো। জবরদস্তি প্রতিরোধ করা হলো। বলপ্রয়োগ করা হলো। এই আচরণের বিচার ঠিকই করা হবে। এটা আমাদের অঙ্গীকার। জনগণ দেখবে, নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, জ্ঞানেশ কুমার ও মোহন ভাগবত তাঁদের কৃতকর্মের ফল পাচ্ছেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category