1. admin@dainikamarekush.com : amar123 :
  2. newsamarekush@gmail.com : md arif : md arif
  3. newsamarekush1@gmail.com : dainik staf1 : dainik staf1
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

মিষ্টির পদত্যাগ বিএনপি নেতাকর্মী ও সরকারি কর্মচারীদের প্রতি বার্তা

একুশ ডেস্ক:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫০ Time View

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা। রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন মিষ্টি। পরে সংসদ সচিবালয় তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করে।

তবে, মিষ্টির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।

এ কারণে মিষ্টির পদত্যাগের ঘটনাকে দুটি আলাদা প্রেক্ষাপটে দেখা প্রয়োজন। একটি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে। অন্যটি অভিযোগের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে।

যা বলছেন বিএনপি নেতারা

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল মনে করেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দলের নেতাকর্মী এবং সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে।

জাগো নিউজকে তিনি বলেন, যে কোনো অপকর্মের জন্য যার যে শাস্তি প্রাপ্য, তাকে তা পেতে হবে। অন্য আরেকজন অপরাধ করলে যেরকম হতো, তিনি দলের হোন বা সরকারের হোন, একই রকম তাদের বেলায়ও প্রযোজ্য হবে।

আলালের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের পরিচয় বা সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা কাউকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখবে না। দল কিংবা সরকার কিংবা সংসদে সমর্থক-এরকম কেউই কোনো আইনের ঊর্ধ্বে নন।

সমালোচনা ও অপরাধকে আলাদা করে দেখার বার্তা

এ প্রসঙ্গে আলাল একজন শিক্ষকের ঘটনাও উল্লেখ করেন। তার দাবি, এক শিক্ষক ক্লাসে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করায় স্থানীয় লোকজন তাকে পুলিশের কাছে নিয়ে যায়। পরে প্রধানমন্ত্রী ফোন করে ওই শিক্ষককে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন এবং পুলিশের গাড়িতে করে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

আলালের মতে, দুটি ঘটনা পাশাপাশি রাখলে সমালোচনার অধিকার এবং অপরাধের অভিযোগকে আলাদা করে দেখার একটি রাজনৈতিক অবস্থান বোঝা যায়। তার ভাষায়-সমালোচনা কোনো শাস্তির কারণ হতে পারে না, যদি সেটা ব্যাকরণসম্মত হয়।

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মিষ্টির পদত্যাগের পর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, বিএনপি কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয় না এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় কিংবা দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মে জড়িতদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর একটি সিদ্ধান্তই যথেষ্ট।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু জাগো নিউজকে বলেন, আইনের বাইরে গেলে তার জন্য আইন অপেক্ষা করবে না। অনিয়ম-অপরাধে জড়ালে তার পরিণতি কী হবে, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে তার প্রমাণ হয়েছে।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এটা তারেক রহমানের সরকার, সুতরাং যে যা করছেন বুঝেশুনে করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category