
আজ শুক্রবার মহাষষ্ঠীর বোধন ও অধিবাসের মাঙ্গলিক পূজার মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। খুলনাসহ সারাদেশে এখন বইছে উৎসবের আমেজ। দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গার আগমনে উচ্ছ্বসিত ভক্তকূল। আনন্দময়ী দেবী দুর্গার আগমনী গানে মুখরিত এখন চারদিক। মহাষষ্ঠী তিথি দিবা ঘ ৬টা ০৬ মিনিট গতে ঘ ৮টা ২৫ মিনিটের মধ্যে শারদীয়া দুর্গা দেবীর ষষ্ঠ্যাদিকল্পারম্ভ ষষ্ঠী বিহিত পূজা প্রশস্তা। সয়ংকালে বা সন্ধ্যায় দেবীর আমন্ত্রণ, বোধন ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হবে।
সনাতনী বিশ্বাস মতে, দশভূজা দেবীদুর্গা সকল অনাচার ও র্দূগতি বিনাস করে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতি শরতে কৈলাস ছেড়ে কন্যারূপে মর্ত্যলোকে আসেন। সন্তানদের নিয়ে পক্ষকাল পিতার গৃহে কাটিয়ে আবার ফিরে যান দেবালয়ে। এ বছর দেবীদুর্গা শ্বশুরালয় থেকে পিতার বাড়িতে আসছেন ঘোটকে আর ফিরে যাবেন নৌকায়। মন্ডপে মন্ডপে মহাষষ্ঠী তিথিতে বিহিতপূজার পর দেবীর বোধন ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে মূল দুর্গোৎসবের সূচনা। শুক্রবার সকালে খুলনার ৮৯৯টি মন্দিরে যথাযোগ্য র্ধমীয় রীতিতে ষষ্টীপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় পূজারী ও ভক্তদের আগমনে মুখরিত হয় মন্দিরগুলো। এ সময় নিজিদের পাশাপাশি সকল মানুষের ও দেশও জাতির মঙ্গল কামনা করেন পূজারীরা।
তবে খুলনার পূঁজা মন্ডপগুলোতে যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্তা নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন। তারপেরও সুষ্ঠুভাবে পূঁজা ও উসব পালনের শংকায় বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতারা।
আগামীকাল মহাসপ্তমীর সকালে চক্ষুদানের মধ্য দিয়ে ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ করা হবে ত্রি-নয়নী দেবীর। ২১অক্টোবর দেবীর বিসর্জন ও বিজয়ার মধ্য দিয়ে ৬দিনব্যাপী শারদীয় উসব শেষ হবে।
Leave a Reply