
খুলনার শিরোমণি বাফার গোডাউনে সরকারি সার লোড- আন লোডে ঘাট ইজারাদারের পক্ষ থেকে বাধা দেয়ার অভিযোগ করেছে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানির ঠিকাদার নায়েক ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠানটির মালিক লিখিতভাবে খান জাহান আলী থানায় অভিযোগ করেছে, বাধা দেয়া বন্ধ না হলে সার সারবরাহ বন্ধের পাশাপাশি অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। ঘাট ইজারাদারের দাবি শিরোমনিরর তিনটি সার গোডাউনে স্বাভাবিকভাবেই লোড-আনলোড হচ্ছে কোন ধরনের বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেনি।
নায়েক ট্রেডার্সের প্রতিনিধি মনিরুল গাজী থানায় লিখিত দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, শিরোমণি সার গোডাউন বিআইডব্লিউটিএ’র ইজারার বাইরে। তারপরও ঘাট ইজারাদার ইফতেখারুল ইসলাম বাপ্পি লোড-আনলোডে বাধা দিচ্ছে এবং জোর করে টাকা দাবি করছে।
ঘাট ইজারাদার বাপ্পি জানান, লোড আনলোডে কোন ধরনের বাধা দেয়া হচ্ছে না। স্বাভাবিক নিয়মেই তিনটি গোডাউনে কাজ চলছে। সরকারকে কোটি টাকা দিয়ে ঘাট ইজারা নেয়া হয়েছে। বিগত দিনে যেভাবে ঘাট পরিচালনা করা হয়েছে আমরাও একই নিয়মের মধ্যে থেকে কাজ করছি।
খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশার জানান, নায়েক ট্রেডার্স এর পক্ষে মনিরুল গাজী লিখিতভাবে একটি অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে, যা এখনো মীমাংসা হয়নি।
খুলনা বিআইডব্লিউটি’র বন্দর কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ জানান, সার গোডাউন বিআইডব্লিউটিএ’র ঘাট ইজারার বাইরে।
Leave a Reply