
২০১৪ সালের ২৬ আগস্ট খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন ডা. সাভরিনা তানিয়া। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আর কর্মস্থলে আসছেন না তিনি। একাধিকবার চিঠি দেওয়ার পরও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। প্রতি মাসের প্রতিবেদনে তার অনুপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
ডা. সাভরিনা তানিয়া ৩৩তম বিসিএসের একজন কর্মকর্তা। হাসপাতাল সূত্র জানায়, দীর্ঘ প্রায় দশ বছর ধরে কর্মস্থলে না আসায় তার কোনো বেতন-ভাতা অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ডা. সাভরিনা তানিয়া ২০১৫ সাল থেকে কর্মস্থলে নেই। তাকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে তদন্ত করা হয়েছে। কিন্তু তদন্তের এখনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। তার কোনো খোঁজ না পাওয়া গেলে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘তাকে অব্যাহতি না দেওয়ায় একটি পদ ব্লক হয়ে আছে। এতে উপজেলার স্বাস্থ্যসেবায়ও প্রভাব পড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে স্বাস্থ্যসেবা আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আমি মনে করি।’
দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মাহবুবুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘ডা. সাভরিনা তানিয়া ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে কর্মস্থলে নেই। আমরা এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। কর্তৃপক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডা. সাভরিনা তানিয়া না থাকায় চিকিৎসকের একটি পদ ব্লক হয়ে আছে। তার স্থলে নতুন কাউকে দিলে উপজেলার মানুষের চিকিৎসাসেবায় আরও গতি আনা সম্ভব হবে।’
এ বিষয়ে খুলনার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. শওকত আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি খুলনায় নতুন যোগদান করেছি। বিষয়টি অবগত ছিলাম না। ডা. সাভরিনা তানিয়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Leave a Reply