
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী অ্যাডভোকেট এস. এম. আমজাদ হোসেনের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল খুলনার রূপসার আইচগাতী দেয়াড়া নিজ গ্রামের বাইতুল মামুন হাফিজীয়া মাদ্রাসা, খান বাহাদুর জামে মসজিদ, এছাড়া নগরীর মতি মসজিদ, ডাকবাংলো মসজিদ, লবনচারা মসজিদ, তালতলা জামে মসজিদ, আল-হেরা জামে মসজিদ, ইউসুফিয়া জামে মসজিদ, তাবলিক মসজিদ, ময়লাপোতার বায়তুল আমান জামে মসজিদ, খুলনা টাউন জামে মসজিদ, শেখপাড়া আস্থানা জামে মসজিদ, ফেরীঘাট জিন্না মসজিদ, টিএনটি জামে মসজিদ, আযম খান কলেজ জামে মসজিদ, সরদার জামে মসজিদ, আলীয়া মাদ্রাসা ও দারুণ উলুম মাদ্রাসাসহ আরো কয়েকটি মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি এতিমখানায় খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। দোয়া মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আমজাদ হোসেন ১৯৫৭ সালে জাহানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের কমিশনার নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে প্রদেশিক আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় তিনি সারা দেশসহ এ অঞ্চলের শিক্ষা প্রসারে দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। জাতীয়করণও করেন অনেক স্কুল-কলেজ। তিনি খুলনা আজম খান কমার্স কলেজ ও সিটি ল’ কলেজের শিক্ষক ছিলেন। ছিলেন খুলনা আইনজীবী সমিতির এক নম্বর সদস্য; পরবর্তীতে সভাপতিও। বিজ্ঞ আইনজীবী ছাড়াও তিনি একাধারে সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ভাষা সৈনিক ছিলেন। তাই এমন গুণী মানুষটিকে এতদাঞ্চলের মানুষ যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে।
Leave a Reply