1. admin@dainikamarekush.com : amar123 :
  2. newsamarekush@gmail.com : md arif : md arif
  3. newsamarekush1@gmail.com : dainik staf1 : dainik staf1
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

কিট নেই দুই বছর, প্লাটিলেট এফেরেসিস মেশিন পড়ে আছে খুমেকে

একুশ ডেস্ক:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫২ Time View

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) প্লাটিলেট এফেরেসিস মেশিন থাকলেও প্রায় দুই বছর ধরে মিলছে না এর প্রয়োজনীয় কিট। হাসপাতালে থাকা কিটের মজুতও শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন কার্যত বন্ধ হয়ে আছে মেশিনটির ব্যবহার। ব্যয়বহুল এফেরেসিস কিট রোগীর স্বজনদের পক্ষে বাইরে থেকে কেনা কঠিন, আর সরকারি সরবরাহ না থাকায় প্রয়োজনের সময় প্লাটিলেট সংগ্রহেও ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্লাটিলেট এফেরেসিস মেশিনে প্রায় কিট দুই বছর ধরে নেই। কোভিড-১৯ এর পর ২০২৩ ও ২০২৪ সালে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়লে তখন কিট ব্যবহার হয়েছিল। এফেরেসিস মেশিন আনার সময় ২০০ পিস কিট দেওয়া হয়েছিল। এরপর আর কিট সরকারিভাবে দেওয়া হয়নি।

খুমেক প্যাথলজিতে কর্মরতদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্লাটিলেট এফেরেসিস মেশিনের বিকল্প হিসেবে সেন্ট্রিফিউজ মেশিন দ্বারা রক্ত থেকে প্লাটিলেট সংগ্রহ করা যায়। তবে এক্ষেত্রে এক ব্যাগ ল্যাটিলেট সংগ্রহ করতে ৪ ব্যাগ রক্ত প্রয়োজন হয়। এখানেও ১৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে প্লাটিলেট এফেরেসিস মেশিনের মাধ্যমে প্লাটিলেট সংগ্রহ করতে ডোনারের শরীর থেকে রক্তের অন্যান্য উপাদানের মধ্য থেকে শুধু প্লাটিলেট সংগ্রহ করা সম্ভব। তবে এই এফেরেসিস কিটের মূল্য প্রায় ১৮ হাজার টাকা। এখন এফেরেসিস কিট নেই। তবে কেউ কিট ক্রয় করে আনলে বাকি কাজ সরকারিভাবে সম্পন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। তবে অনেক রোগী দূরদূরান্ত থেকে এসে চারজন রক্তদাতাকে খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকে প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় ভিত হয়ে পড়ছেন।

খুমেক প্যাথলজি ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও কনসালটেন্ট প্যাথলজিস্ট ডা. এস এম তুষার আলম জাগো নিউজকে বলেন, প্লাটিলেট রক্তক্ষরণ রোধ করে। যে রোগীর রক্তক্ষরণ হয় না তার প্লাটিলেট প্রয়োজন নেই। শরীরে পানি শূন্যতা না থাকলে আর ফ্লুইড বৃদ্ধি পেলে প্লাটিলেট শরীরে বৃদ্ধি পায়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্লাটিলেটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, প্রায় দুই বছর ধরে এফেরেসিস কিট নেই। কিন্তু মেশিনের বিকল্প পদ্ধতিতে চারজন ডোনারের রক্ত নিয়ে এক ব্যাগ প্লাটিলেট সংগ্রহ করা সম্ভব। তবে এফেরেসিস কিট সরকারিভাবে দেওয়া হলে গরীব অসহায় মানুষদের আমরা সহায়তা করতে পারবো।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ- পরিচালক ডা. মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, এফেরেসিস কিট শেষ হয়ে যাওয়ায় সিএমএস অফিস, ডিজি অফিস এবং স্থানীয় হাসপাতাল পরিচালক বরাবর জানানো হয়েছে। কিট না থাকলেও আমরা মেশিনের বিকল্প হিসেবে সেবা চালু রেখেছি। কিন্তু এক ব্যাগ প্লাটিলেটের জন্য চারজন রক্তদাতা প্রয়োজন হয়। অনেক সময় রোগীর স্বজনদের রক্তদাতা খুঁজে পেতে কষ্ট হয়। আর বাইরে থেকে কিট ক্রয় করা আর্থিকভাবে দুর্বল রোগীদের সম্ভব হয় না। এজন্য সরকারিভাবে কিট সরবরাহ থাকলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category