
জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা—৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম’ কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটা জনগণের সম্পত্তি, জনগণের সম্পদ, জনগণের আশা—আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। আমাদের আবেগের জায়গায় এই ষ্টেডিয়াম আছে। আমাদের আরাফাত রহমান কোকো অত্যন্ত কঠিন পরিশ্রম করে এই ষ্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক ভেন্যুতে পরিণত করেছিলেন। আমাদের তৎকালীন বিসিবির প্রেসিডেন্ট আলী আজগর লবি, এমপির প্রচেষ্টায় এই খুলনাতে এই ষ্টেডিয়াম তৈরি হয়েছিলো।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) খুলনার ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম’ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই স্টেডিয়ামের সাথে আমাদের অত্যন্ত আবেগের অনুভূতি জড়িত। আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয়, আমাদের নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট সন্তান আমাদের আরাফাত রহমান কোকো। উনার হাত ধরেই এই স্টেডিয়াম নির্মাণ হয়েছিলো। এই ষ্টেডিয়াম আমাদের আবেগের জায়গা, এই আবেগের জায়গা থেকেই আমরা ষ্টেডিয়ামকে অন্যভাবে দেখি।
বকুল আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে সব কিছুর নাম পরিবর্তন করে সব কিছুর নাম নিজেদের নামে নামকরণ করেছিলো। কিন্তু সে সুযোগ আর নেই। তৎকালীন সময়ে এই ভেন্যুটা তৈরি হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক মানের, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ভেন্যুতে রূপান্তরিত হয়েছিলো। এই ভ্যেনু আইসিসি অনুমোদিত। কিন্তু আস্তে আস্তে সংস্কারের অভাবে এবং বিভিন্ন সময়ে অযত্ন ও অবহেলায় এত বড় একটা সম্পত্তি সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। কিন্তু যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই ষ্টেডিয়াম সংস্কার করা হবে বলে আমাদের ক্রীড়া পরিষদের কাছে থেকে আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কৃতৃর্পক্ষের চেয়ারম্যান ও খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা এবং বিসিবির পরিচালক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনসহ অন্যান্যরা।
উল্লেখ্য, ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম’ এর নাম বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পরিবর্তন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই ‘শেখ আবু নাসের’ এর নামে নামকরণ করে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম করা হয়েছিলো।
Leave a Reply