
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাময়িক বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আনসার আলীকে ঘিরে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবীতে ওই বিরুদ্ধে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন একই বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ।অভিযোগে বিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলন, এক ছাত্রীকে বিয়ে এবং বিদ্যালয়ের সামনে দোকান বরাদ্দের নামে অর্থ লোপাটের কারণ গুলো উল্লেখ করা হয়েছে ।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লালটু হোসেন অভিযোগ করেন ,প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আনসার আলী দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যালয়ে অনিয়মিত আসা যাওয়া করেন। এছাড়া তিনি কথায় কথায় সহকারী শিক্ষকদের সাথে খারাপ আচারন করেন তিনি।এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন মুলক কাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে ।
শরীরচর্চা শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘ ২৭ মাস বিদ্যালয়ে অনুপুস্থিত থেকে সরকারী বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন। যেটি বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় প্রমান মিলবে ।
সহকারী শিক্ষক পার্থ সারথী মজুমদার বলেন, প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ ও যোগদানের তারিখে যতেষ্ঠ গড়মিল রয়েছে । এছাড়া প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে বিয়ে করে তিনি প্রতিষ্ঠানে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। অচিরে এই শিক্ষককে অপসারন দাবী করেন তিনি ।
আরেক শিক্ষক অলোক কুমার ঘোষ বলেন, তার বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দোকান বরাদ্ধের অনিয়ম , দোকান নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যাবহার করে ভুল বিল ভাউচার তুলে উত্তোলন করে বহু টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি । এছাড়া নারী কেলেঙ্কারীরঅভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে ।এ বিষয়ে তিনি সহ কয়েকজন শিক্ষক জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক আনসার আলী বলেন ,তিনি কোন দূণীতির সাথে জড়িত নন। তাকে নানা ভাবে হয়রানী করার জন্য সকল শিক্ষকরা একজোট হয়েছে ।
এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যালয় পরিদর্শক সুদাংশু কুমার মন্ডল বলেন, চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষককে সাময়িক ররখাস্ত করা হয়েছে । বর্তমানে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে । তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply